দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দুই দিন পর সোমবার (১১ মে) প্রথমবারের মতো রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্নে প্রবেশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই একাধিক দলীয় কর্মসূচি শেষ করে তিনি বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে সল্টলেকের দলীয় কার্যালয় থেকে নবান্নে পৌঁছান।
নবান্নে পৌঁছালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তিনি রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তার নবান্নে প্রথম প্রশাসনিক কার্যদিবস।
ইতোমধ্যেই বৈঠকের ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, আজ রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব শ্রীমতী সঙ্ঘামিত্রা ঘোষ, রাজ্যের ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করলাম।
‘পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, সুশাসন ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। রাজ্যের জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি সুনিশ্চিত করাই প্রাথমিকভাবে সরকারের অগ্রাধিকার।’
সোমবার নবান্নে এরপর আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুপুরে ১টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন ২৩ জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে। এরপর বিকাল ৪টায় নবান্নে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু। যদিও তার আগে শুভেন্দু অংশ নেন সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার বিষয়ে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান শুভেন্দু।
এরপরই শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গেছে। সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আজ থেকেই জমি ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বিএসএফ যতটা জমি চেয়েছে ততটা জমি দেয়া হবে। আগের সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য ভূমি দপ্তরকে কাজ করতে দেয়নি। আমরা ভূমি দপ্তরকে আজ থেকেই রেডি থাকা জমি হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া করতে বলেছি।
কেএম